ডার্ক মোড
Tuesday, 18 January 2022
Logo
লুপাস বা SLE

লুপাস বা SLE

জেনে রাখা অত্যন্ত জরুরী বিশেষ করে মহিলাদের।  SLE  বা সিস্টেমিক লুপাস ইরিথমাটমাসাস একটি বিরল রোগ । এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার কোন কারণ আজ পর্যন্ত বিশ্বের কোন দেশ কারন চিহ্নিত করতে পারেনি। রোগটি ১৫থেকে ৩৫বছরের মেয়েদের বেশি আক্রান্ত করে। রোগটি নির্ণয়ে ANA এবং DNA টেস্ট সহ কিছু পরীক্ষা রয়েছে যার মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করা হয়ে থাকে। কিন্তু টেস্ট যদি নেগেটিভ রেজাল্ট আসে এবং ১১টি লক্ষনের চারটি লক্ষন থাকে তাহলে ডাক্তার  লুপাস রোগে আক্রান্ত বলে সনাক্ত করে থাকে । লুপাস অর্থ লাল নেকড়ে । এর আক্রমণ এতই তীব্র যে রোগীকে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যায় । যদি প্রথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে একজন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন রিউম্যটলোজিস্ট ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে রোগটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব ।

কিছু লক্ষন সম্পর্কে জেনে রাখা দরকার এই রোগটি সম্পর্কে?

১. মাথার চুল পড়া ২. মুখের তালুতে ঘা ৩. কোন কারণ ছাড়াই জ্বর সাত থেকে দশ দিনের বেশি এবং একই সময়ে ৪. মুখের মধ্যে প্রজাপতির মতো রেশ পড়া ৫. কোন কারণ ছাড়াই গর্ভপাত ৬. হাত ও পায়ের জয়েন্টে ব্যাথা ৭. চোখ ও মুখ  ফোলা সহ আরও চারটি কারণ সহ মোট ১১টি । এরমধ্যে চারটি কারণ শরীরে দেখা দিলে দেরি না করে একজন রিউম্যটলোজিস্ট ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া খুব জরুরী ।

একজন SLE রোগীর স্বামীর অভিজ্ঞতাঃ

আমার স্ত্রীর মোটামুটি সব লক্ষন থাকা শর্তেও ডাক্তার বাবু সঠিক পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে শুধু  হার্ট ফিউলিওর এর চিকিৎসা করে যার কারনে আমার স্ত্রী এখন তীব্র পর্যায়ে যার ফলাফল কি হবে ডাক্তার বলে দিয়েছে। এখন আমার স্ত্রীর শরীরে রোগটি তীব্র পর্যায়ে এখন যথাসম্ভব চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছি। সব রিপোর্ট দেশসেরা একজন রিউম্যটলোজিস্ট দেখিয়েছিলাম ডাক্তার সাহেব আমার স্ত্রী কে মুভমেন্ট করতে নিষেধ করেছেন এবং রংপুরের একজন কে দেখানোর কথা বলেন । আমার স্ত্রীর জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই । আল্লাহ্ ই পারেন সকলকে সব বিপদ আপদ থেকে মুক্তি দিতে ।

SLE রোগে আক্রান্ত হওয়ার হারঃ

রোগটি আমেরিকা,আফ্রিকান সহ কিছু দেশের মানুষের মধ্যে আক্রান্ত বেশি। গড় হিসেবে এক লক্ষ মানুষের মধ্যে ২০থেকে ১৫০জন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে এর মধ্যে মহিলাদের সংখ্যা বেশি । প্রতি দশ জনে এক জন পুরুষ।

চিকিৎসাঃ 

বাংলাদেশে মোট রিউম্যটলোজিস্ট ডাক্তারের সংখ্যা বর্তমানে ৪৫জনের মতো । এরমধ্যে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাক্তার কয়েকজন। এছাড়া নবীন রিউম্যটলোজিস্ট ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে তারা প্রথমেই ইনজেকশন এর কথা বলবে । যে ইনজেকশন এর দাম প্রায় আড়াই লাখ টাকা, বছরে চার টা,পাঁচ টা কিংবা ছয়টা পর্যন্ত দেওয়া লাগতে পারে এভাবে যতদিন বেঁচে থাকবে । কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় ডাক্তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না শুধু বলে উন্নতি হলেও হতে পারে । কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় হলে রোগিকে প্রতি মাসে দুই থেকে তিন হাজার টাকা কম বেশি লাগতে পারে । কিন্তু তীব্র পর্যায়ে গেলে এর চিকিৎসা ব্যায় করা কঠিন ।

 

 

মন্তব্য / থেকে প্রত্যুত্তর দিন

ভোট / জরিপ

স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুণ বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আপনি কি মনে করেন কথাটি সত্য?

ফলাফল প্রদর্শন করুন
হ্যাঁ
100%
না
0%

আর্কাইভ!

অনুগ্রহ করে একটি তারিখ নির্বাচন করুন!

ভোট / জরিপ

আপনি কি নিউজ বাংলার সেবায় উপকৃত?

ফলাফল প্রদর্শন করুন
আমি সন্তুষ্ট
100%
আরও উন্নত করতে হবে
0%
নিয়মিত পোস্ট চাই
0%

নিউজলেটার

নতুন আপডেট পেতে আমাদের মেইলিং তালিকায় সাবস্ক্রাইব করুন!